প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য মন্ত্রনালয়ের চার নির্দেশনা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়।
বুধবার উপ-সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন সাক্ষরিত ওই আদেশে চারটি ধারা উল্লেখ করে তা বাধ্যতামূলক অনুসরেন জন্য বলা হয়।
মন্ত্রনালয় পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে, দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত কতিপয় শিক্ষক অনুমোদন ব্যতীত কিংবা অনুমোদিত ছুটি শেষ হওয়ার পরও কর্মস্থলে আসছেন না। এতে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হচ্ছে, যা সরকারি কর্মচারি (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯; সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ এর সংশ্লিষ্ট বিধির সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষক বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে এবং যথাযথভাবে একাডেমিক সুপারভিশন হচ্ছে না।
এধরনের অনিয়মের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গোচরীভূত করা হচ্ছে না। ফলে দায়ী ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। এহেন পরিস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোনভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না।
এমতাবস্থায়, অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত শিক্ষকসহ দায়িত্বে অবহেলাকারী সংশ্লিষ্ট শিক্ষক/কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও সকল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ ধরনের অননুমোদিত অনুপস্থিতির বিষয়ে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এএজে