ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • মহাখালী ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

    মহাখালী ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর মহাখালীর রয়েল ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনায় মাসুম (২৫) নামে দগ্ধ আরো একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।


    সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাসুম। তার বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার রামনাথপুর গ্রামে। তিনি ওই ফিলিং স্টেশনে অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, মহাখালী থেকে দগ্ধ অবস্থায় আটজন বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়। আজ মাসুম নামে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।


    নিহতের বন্ধু আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিস্ফোরণের পর মাসুমের শরীরে আগুন ধরে যায়। আমরা পানি দিয়ে সে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে তাকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

    একই দুর্ঘটনায় এর আগে ৩ জন মারা যান। তারা হলেন খায়ের মিয়া, সালাউদ্দিন ও আমির হোসেন সুমন।

    বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আটজন দগ্ধ হন। এদের মধ্যে আমির হোসেন সুমনের দেহের ৩৫ শতাংশ, মো. মাসুমের ৬০ শতাংশ, মো. সালাউদ্দিনের ৬৫ শতাংশ, কামাল আবেদীনের ১৫ শতাংশ, মো. খায়ের মিয়ার ১৫ শতাংশ, জীবনের ৮ শতাংশ, মো. রানার ৫ শতাংশ ও মামুনের শরীরের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়।

    আট জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ জন মারা গেছেন। একজন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। বাকি ৩ জন এখনো চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ