ঢাকা শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল-৫ আসনে এগিয়ে সরোয়ার, দ্বিতীয় স্থানে ফয়জুল করীম ঝালকাঠিতে কাস্টিং হয়েছে ৫৭ দশমিক ৯০ শতাংশ ভোট, চলছে গণনা মঠবাড়িয়ায় ভোট দিয়ে কেন্দ্রে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন বৃদ্ধ  ঝালকাঠিতে জাল ভোটের দায়ে নারীকে ২ বছরের কারাদণ্ড উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা পটুয়াখালীতে অর্ধকোটি টাকাসহ আটক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা উজিরপুরে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগে ২ সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বরখাস্ত পটুয়াখালীতে জাল ভোট ও গোপন কক্ষে ছবি তোলার চেষ্টা, আটক ৩ মুলাদীতে ভোটে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে যুবদল নেতা আটক  ভোলায় ককটেল ফাটিয়ে ব্যালট ছিনতাই, দেড় ঘণ্টা পর পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু
  • চিটাগংকে উড়িয়ে সবার আগে ফাইনালে বরিশাল

    চিটাগংকে উড়িয়ে সবার আগে ফাইনালে বরিশাল
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    চিটাগং কিংসকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট কাটলো তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৪৯ রানের সংগ্রহ পায় চিটাগং। লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৬ বল বাকি থাকতেই ৯ উইকেটের জয় পায় বরিশাল।

    ১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দেখেশুনে খেলতে থাকেন তামিম ইকবাল ও তাওহীদ হৃদয়। দুজনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৫৫ রান। ২৬ বলে ২৯ রান করে তামিম আউট হলে ভাঙে এই জুটি। খালেদ আহমেদের বলে খাওয়াজা নাফের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ওপেনার। 

     
    এরপর আর কোনও বিপর্যয় ঘটেনি। দাউইদ মালানকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজটা সারেন তাওহীদ হৃদয়। ১৭.২ ওভারে ৯ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙ্গর করে ফরচুন বরিশাল। ৫৬ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত থাকেন তাওহীদ হৃদয়। অপর প্রান্তে ২২ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন দাউইদ মালান।
     

    মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ ওভার ৩ বলে দলীয় ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারায় চিটাগং। কাইল মায়ার্সের করা ইনিংসের প্রথম বলে ৪ মারার পর দ্বিতীয় বলেই বোল্ড হন পাকিস্তানি ব্যাটার খাওয়াজা নাফে। তৃতীয় ওভারে গ্রাহাম ক্লার্ককেও ফেরান মায়ার্স। চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ আলীর শিকার হয়ে আউট হন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন। ক্রিজে থিতু হতে পারেননি হায়দার আলীও। ৭ রান করে ফেরেন ইবাদত হোসেনের বলে। 
     
    তবে শুরুর সেই বিপর্যয়ের পর দ্রুতই হাল ধরেন পারভেজ হোসেন ইমন এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারী। পঞ্চম উইকেটে ৪৮ বলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন তারা। চতুর্দশ ওভারে রিশাদ হোসেনের শিকার হয়ে ইমন ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। ৩৬ বলে ৩৬ রান করে আউট হয়েছেন ইমন। 
     
     
    ইমনের বিদায়ের পর একাই লড়াই করেছেন শামীম। মারকুটে ব্যাটিংয়ে দলকে পার করান ১৪০ এর গণ্ডি। দলীয় ১৪৪ রানে মোহাম্মদ আলীর বলে রিভার্স স্কুপ করতে গিয়ে ইবাদত হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। প্যাভিলিয়নে ফেরত যাওয়ার আগে অবশ্য ৪ ছক্কা ও ৯ চারে ৪৭ বলে ৭৯ রানের ইনিংস খেলে গেছেন তিনি। 
     
    চট্টগ্রামের হয়ে এদিন ৫ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ আলী। অবশ্য এর চারটিই তিনি নিয়েছেন ১৯তম ওভারে। দুই উইকেট পেয়েছেন কাইল মায়ার্স। একটি করে উইকেট গেছে ইবাদত হোসেন এবং রিশাদ হোসেনের ঝুলিতে। 
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ