ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে নিয়ে ড. ইউনূসের ফেসবুক পোস্ট

    জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে নিয়ে ড. ইউনূসের ফেসবুক পোস্ট
    ছবি অনলাইন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করেন বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১১ এপ্রিল রাতে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে তিনি জানান, ‘জাফরুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করছি। বিশ্বাস করা কঠিন- ইতোমধ্যেই তিন বছর কেটে গেছে।’

    মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অনেক সংগ্রামে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন জাফরুল্লাহ, জানান ইউনূস। তিনি বলেন, ‘জাফরুল্লাহ শুধু একজন দৃঢ়চেতা মানুষ ছিলেন না-তিনি নিজেই ছিলেন একটি আন্দোলন।

    আমাদের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি সংগ্রামে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন অন্যের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, বিশেষ করে দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে। তিনি বিশ্বাস করতেন—মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হলেই মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন।’

    ড. ইউনূস আরও লিখেছেন, ‘সংকটের সময় তিনি গ্রামীণ ব্যাংক ও এর নারী সদস্যদের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের মর্যাদা, স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরতার সংগ্রামে তার সমর্থন ছিল সাহসী, কার্যকর এবং অটুট।’

    বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জীবনের শেষ পর্যন্ত লড়েছেন জাফরুল্লাহ, অভিমত ড. ইউনূসের। তার ভাষ্য, ‘নিজের শারীরিক কষ্ট সত্ত্বেও তিনি কখনো পিছু হটেননি। বঞ্চিত মানুষের অধিকারের পক্ষে তার লড়াই চলেছে শেষ দিন পর্যন্ত। এটাই ছিল তার জীবনের মূল শক্তি।’

    ‘আজ তিনি আমাদের মাঝে থাকলে সাধারণ মানুষের—বিশেষ করে তরুণদের—ত্যাগ ও সাহস দেখে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হতেন। তিনি তাদের পাশে দাঁড়াতেন, যেমনটি তিনি সবসময় করেছেন, একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে।’

    সবশেষে ড. ইউনূস লিখেন, ‘তার জীবন আমাদের পথ দেখাক। তিনি চিরশান্তিতে থাকুন।’ উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন জাফরুল্লাহ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
     


    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ