কলাপাড়ায় জেলেদের বরাদ্দকৃত ৪১ বস্তা চাল উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জেলেদের বরাদ্দকৃত সরকারী চাল চুরির হিড়িক পড়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের ইমরান হোসেনের বাড়ী থেকে ২৬ বস্তা এবং শনিবার দুপুরে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মো.আলতাফ হোসেনের বাড়ী থকে ১১ বস্তা, কুদ্দুস আকনের বাড়ী থেকে ৪ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.কাউসার হামিদের নেতৃত্বে ও শনিবার স্থানীয় জনতা ওই চাল উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে নীলগঞ্জের বাসিন্দা কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রী কলেজের ইতিহাস বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো.সোহরাব হোসেন জানান, একটি কুচক্রী মহল এ চাল চুরির সাথে জড়িত রয়েছে। দৌলতপুর গ্রামে অন্তত ৫০ বস্তা চাল চুরি করেছে ওই চক্রটি। এদের অধিকাংশরা অভিযানের খবর পেয়ে কেউ তেলের ব্যারেলে চাল রেখে দিয়েছে, আবার কেউ কেউ সরকারী বস্তা থেকে খুলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছে। যাদের কারো কারো কাছে সরকারী সিল যুক্ত বস্তা পাওয়া গেছে।
ওই শিক্ষক আক্ষেপ করে বলেন, চাল চোর চক্রটির একটি সিন্ডিকেট রয়েছে যারা সরকারের এই প্রকল্পটি যাতে ভেস্তে যায় তার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
এদিকে, একাধিক জেলেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাছ শিকারের ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরকার জেলেদের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ প্রকল্পটি চালু করেন। অথচ প্রকৃত জেলেদের নাম জেলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় না কিংবা এক ধরনের কুচক্রী মহল চাল আত্মসাৎ করার মানসিকতা নিয়ে নিজেদের লোকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন।
জেলেরা মনে করেন প্রকৃত জেলেদের নাম এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে চুরি অনেকাংশে কমে আসবে।
এইচকেআর