ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে ‘ঝাড়ু মিছিল’ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আব্দুল্লাহর পাশে ভাসানচর কল্যাণ সমিতি ববির ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী থাকেন হলের বাহিরে  মঠবাড়িয়ায়-মিরুখালী সড়কে ভয়াবহ ভাঙন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ঝালকাঠিতে ভবন থেকে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা প্যাচানো নারীর মরদেহ উদ্ধার বরিশালে ১ হাজার ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার কলাপাড়ায় অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নিয়ে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন! বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন
  • ঝালকাঠিতে পৌর মেয়রসহ ২৫ ব্যক্তির ৩৩ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল

    ঝালকাঠিতে পৌর মেয়রসহ ২৫ ব্যক্তির ৩৩ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল
    ফাইল ছবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠিতে ২৫ ব্যক্তির নামে থাকা ৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে থানায় জমা রাখা অস্ত্রগুলো যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


    বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৪ জুন ঝালকাঠির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মমিন উদ্দিন এ-সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেন।


    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘দ্য আর্মস অ্যাক্ট, ১৮৭৮’-এর ২৬ ধারার ক্ষমতাবলে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ইস্যু হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সগুলো পর্যালোচনা করা হয়।


    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, এ সময়ে জেলায় মোট ১৩৪টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল। এর মধ্যে বিভিন্ন কারণে ২৮টি লাইসেন্স আগেই বাতিল হয়। অবশিষ্ট ১০৬টি লাইসেন্স যাচাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি কমিটি গঠন করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।


    এর আগে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে লাইসেন্সধারীদের নিজ নিজ থানায় আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের পর জমা দেওয়া অস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে লাইসেন্স বহাল রাখা বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব লাইসেন্সধারী অস্ত্র জমা দেননি, সেসব অস্ত্র অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমনটাই জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।


    বাতিল হওয়া লাইসেন্সধারীদের মধ্যে রয়েছেন, ঝালকাঠি সদর উপজেলার সাবেক দুই উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক সেলিম ও খান আরিফুর রহমান, সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, আইন সম্পাদক রুহুল আমিন রিজভী এবং পৌর কাউন্সিলর কামাল শরীফ, রেজাউল করিম জাকির ও হাফিজ আল মাহমুদ। তালিকায় আরও আছেন কীর্তিপাশার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, গাভারামচন্দ্রপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লিটন, নবগ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক আকন্দসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের কয়েকজন নেতা।

    এ ছাড়া ইয়াসমীন পপি, চন্দ্র শেখর হালদার, শাহীন মৃধা, আরিফ হোসেনসহ রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও জাতীয় পার্টির নেতা এম এ কুদ্দুস খানের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে। তবে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির নেতা ও গার্মেন্টস ব্যবসায়ী এম এ কুদ্দুস খান। তিনি জানান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছিলেন এবং পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে সেটি নবায়নও করেছিলেন। কিন্তু কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা কারণ উল্লেখ ছাড়াই তাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

    কুদ্দুস খান বলেন, কোন কারণে আমার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে, তা আমি বুঝতে পারছি না। বিষয়টি জানতে কিছুক্ষণ আগে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।

    জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। নীতিমালার আওতায় যেসব লাইসেন্স পড়েছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ