জোয়ারের পানিতে প্লাবিত বরিশালের নিম্নাঞ্চল

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে বরিশালের নিম্নাঞ্চল। বিপদসামীর উপর দিয়ে বইছে কীর্তনখোলাসহ ৯ নদীর পানি। জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে বরিশাল নগরীতে। প্লাবিত হয়েছে নগরীর অপেক্ষাকৃত নিম্নাঞ্চল। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা। জোয়ারের পানির সাথে ড্রেনের পানি যুক্ত হয়ে তলিয়ে গেছে পাড়া-মহল্লার রাস্তা-ঘাট।
পাউবো জানায়, বরিশালে কীর্তনখোলা, নয়াভাঙ্গুলী, তেঁতুলিয়া, সুরমা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ, কচা, বিষখালী, বুড়িশ্বর-পায়রা নদীর মিলিত প্রবাহ এবং বরগুনায় বিষখালীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পূর্ণিমার জোর কারণে বরিশাল অঞ্চলে নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। কীর্তনখোলা, নয়াভাঙ্গুলী, তেঁতুলিয়াসহ অন্তত ৯টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীর পানি ঢুকে পড়েছে বরিশাল নগরীতে। ফলে প্লাবিত হয়েছে সাগরদী, ধানগবেষণা রোড, ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, রসুলপুর, স্টেডিয়াম বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকা।
সদর উপজেলার চরবাড়িয়া, লামছড়িসহ বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চলও হয়েছে প্লাবিত।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, পূর্ণিমার জোর কারণে কীর্তনখোলাসহ এই অঞ্চলের নদ-নদীর পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার বিকেলে নগরীতে কীর্তনখোলার পানি বিপৎসীমার ২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
পাউবো সূত্র জানায়,কীর্তনখোলাসহ বরিশালে নয়াভাঙ্গুলী নদীর পানি বিপৎসীমার ২ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার, বরগুনায় বিষখালীর পানি বিপৎসীমার ৩ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার, সুরমা-মেঘনার মিলিত প্রবাহে পানি ৪ দশমিক শূন্য ৮, কচা নদীর পানি ২ দশমিক ৭৫, বিষখালীর পানি ২ দশমিক ৮১, বুড়িশ্বর-পায়রা নদীর মিলিত প্রবাহের পানি ৩ দশমিক শূন্য ৫ এবং তেঁতুলিয়ায় ৩ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এমবি