ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান বিচ কার্নিভালে উৎসবের আমেজে মাতোয়ারা লক্ষাধিক পর্যটক বরিশাল প্রেসক্লাব অডিটোরিয়াম সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন বিসিসি প্রশাসক শিরীন ইতালিতে একের পর এক ১২টি ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি কাশিপুরে গ্যাসের গোডাউন থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাল‍ামাল চুরি  এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকা পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগ বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে যুবকের আত্মহত্যা ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেতে পারে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ‍ইয়াবাসহ চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রেফতার মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা অচল, অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে 
  • চেহারায় মিল না থাকায় ছেলেকে খুন করলেন প্রবাসী!

    চেহারায় মিল না থাকায় ছেলেকে খুন করলেন প্রবাসী!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর গ্রামের নদ্দাপাড়ার মাদরাসাছাত্র মো. সায়মন (৯) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মনের সন্দেহ থেকে বাবা বাদল মিয়াই ঘাস কাটার কাঁচি দিয়ে সায়মনকে গলা কেটে হত্যা করেন। 

    ছেলে হত্যার দায় স্বীকার করে রোববার (২৫ জুলাই) বিকেলে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আনোয়ার সাদাতের আদালাতে জবানবন্দি দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাদল তার ছেলে সায়মন ও ভাগ্নে সিয়ামকে নিয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী বিলে ঘাস কাটতে যান। ঘণ্টা খানেক পর বাদল বাড়ি ফিরে গেলেও সায়মন ফেরেনি। তখন বাদল জানায়- সায়মন তার আগেই বিল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে বিল সংলগ্ন একটি ধানি জমি থেকে সায়মনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সায়মন স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন জানান, সৌদি আরব প্রবাসী বাদলের সঙ্গে ২০১২ সালে সদর উপজেলার ভাদুঘর গ্রামের মিলি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর পাঁচ মাস দেশেই ছিলেন বাদল। পরবর্তীতে সৌদি আরবে যাওয়ার পর জানতে পারেন মিলি অন্তঃসত্ত্বা। এরপর সায়মনের জন্ম হয়। কিন্তু বাদলের মনে সন্দেহ ছিল সায়মন তার ছেলে না। প্রবাসে যাওয়ার পর মিলির সঙ্গে অন্য কোনো পুরুষের সম্পর্ক হয়েছে। এ সন্দেহ থেকে সায়মনকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন বাদল।

    তিনি বলেন, সৌদি আরব থেকে ছুটিতে নিয়মিত দেশে আসা-যাওয়া করতেন বাদল। সায়মন ছাড়াও বাদলের আরও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। ওই দুই ছেলে সন্তানের সঙ্গে সায়মনের বনিবনা হতো না। এ নিয়ে বাদলের মনে আরও ক্ষোভ জমতে থাকে। সেজন্য পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শনিবার ঘাস কাটার কথা বলে সায়মনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে বিলের পাশে ধানি জমিতে গলা কেটে হত্যা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ সায়মনের বাড়িতে যায়। বাদলের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে বাদল জানান- তিনি নিজেই সায়মনকে গলা কেটে হত্যা করেন। 

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন আরও বলেন, বাদলের ধারণা ছিল সায়মন তার ছেলে না। সেজন্যই তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। আদালতে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় বাদলের স্ত্রী মিলি বেগম সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেছেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ