ঢাকা বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সদর ‍উপজেল‍ার চরকাউয়ায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  বরিশ‍াল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় যুবক আহত অ্যাডভোকেট হলেন সাংবাদিক বেলাল বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার
  • মুক্তিপণের দাবিতে ৫০ জেলেকে বঙ্গোপসাগর থেকে অপহরণ

    মুক্তিপণের দাবিতে ৫০ জেলেকে বঙ্গোপসাগর থেকে অপহরণ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজারের উপকূল একাধিক ফিশিং ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ট্রলারে থাকা সব মাছ ও মালামাল লুট করেছে জলদস্যুরা। লুট হওয়া ট্রলারে থাকা অর্ধশত জেলেকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    কুতুবদিয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন কোম্পানি বলেন, শুক্রবার ফিরে আসা কয়েকজন জেলে জানিয়েছে গত ৫ দিনে জলদস্যুরা অন্তত ১২-১৫টি ট্রলারে হানা দিয়েছে। ভারী অস্ত্রের মুখে লুটপাট চালানোর পর এসব ট্রলারে থাকা ৫০ জনের বেশি জেলেকে পাঁচটি ট্রলারে আটকে রেখেছে। বাকিদের ছেড়ে দেয়। জলদস্যুরা আটকে রাখা ৫০ জেলের জন্য কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে।

    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি এরমধ্যে কোস্টগার্ডকে জানিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোন অগ্রগতি হয়নি। এ কারণে অপহরণের শিকার জেলেদের পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। গত ৫দিনের ব্যবধানে এসব ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    ডাকাতি হওয়া ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারের মালিক নেজাম উদ্দিন বলেন, গত শনিবার (৩১ জুলাই) সাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় আমার ট্রলার। সাতদিন সাগরে মাছ শিকারের পর ফিরে আসার পথে বঙ্গোপসাগরের সোনাদিয়া চ্যানেলের অদূরে জলদস্যুরা গতিরোধ করে জাল, আহরণ করা প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ লুট করে। মাঝিসহ পাঁচ জেলেকে আটকে রেখেছে তারা। আটকে রাখা জেলেদের মুক্তিপণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছে জলদস্যুরা।

    ‘আল্লাহর দান’ নামে ফিশিং ট্রলারের মালিক তৈয়ব উল্লাহ বলেন, দীর্ঘ ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ট্রলার সাগরে গেছে। ঋণ করে ট্রলার সাগরে পাঠিয়েছি। মাছ, জাল সব রেখে দিয়েছে জলদস্যুরা।

    কক্সবাজার জেলা বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাগরে আবার ডাকাতি শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহের বিষয়টিও জেনেছি। ডাকাতির কবলে পড়া ট্রলারের অধিকাংশ বাঁশখালী-আনোয়ারা এলাকার। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়েছি আমরা।

    কোস্টগার্ড পুর্বজোন এর গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ ও মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আবদুর রউফ বলেন, আমরা এখনো নিশ্চিত নয় কয়টা ট্রলারে ডাকাতি হয়েছে বা কতজন জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ