লকডাউন শিথিল: বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রীদের ভীড়ে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি
.jpg)
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকে সারাদেশের ন্যায় বরিশাল অঞ্চলের সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। সেই সাথে ব্যস্ত হয়ে পরেছে বরিশাল নদী বন্দর এলাকা। লকডাউন শিথিলের ঘোষণায় বুধবার সকাল থেকেই নদী বন্দরে ভীর বাড়তে থাকে।
বিশেষ বিকেলের পরে নদী বন্দরে ঢাকাগামী মানুষের ঢল নামে। লকডাউনের কারণে দীর্ঘ দিন আটকে থাকা মানুষগুলো পরিবার পরিজন নিয়ে ঢাকায় যাত্রা করেন।
তবে যেসব শর্তে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে সেসব শর্ত পরিপালন হচ্ছে না নৌ বা সড়ক পথে। এমনকি সামাজিক দূরত্ব দূরের কথা মাস্ক নেই অধিকাংশ যাত্রীর মুখে। যে যেভাবে পারছে গাদাগাদি করে লঞ্চ এবং বাস ভ্রমণ করছেন।
সরেজমিনে বুধবার রাতে বরিশাল নদী বন্দরে দেখা যায়, ঢাকাগামী মানুষের ঢল নেমেছে। লকডাউন শিথিলের প্রথম দিনে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় ৮টি যাত্রীবাহী লঞ্চ। প্রতিটি লঞ্চের ডেকেই যাত্রীতে ভরপুর। ডেকে জায়গা না থাকায় কেবিনের বারান্দা এবং লঞ্চের আন্নীতেও চাদর বিছিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন অনেকে।
এদিকে, কথা হয়েছে মাস্ক না পরে নদী বন্দর এবং লঞ্চে অবস্থান নেয়া যাত্রীদের সাথে। তারা মাস্ক না পরার কারণ হিসেবে হিসেবে নানা অজুহাত সামনে নিয়ে আসেন। কেউ বলছেন ভীরের মধ্যে মাস্ক পরে থাকতে শ্বাসকষ্ট হয়। আবার কেউ বলছেন খাবার এবং তামাক সেবনের জন্য মাস্ক থুতনিতে ঝুলিয়ে রাখছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা হলেও নদী বন্দর কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দেখা মেলেনি। বন্দর কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান দাবি করেছেন স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ণে লঞ্চে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। করা হচ্ছে সচেতনতামূলক মাইকিং। কিন্তু বাস্তবে বন্দর কর্মকর্তার এমন দাবির প্রমাণ পাওয়া যায়নি সরেজমিনে।
এদিকে, লঞ্চগুলোতেও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে প্রচার প্রচারণা চোখে পড়েনি। যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার অভাবে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে বলে দাবি বিভিন্ন লঞ্চ কর্তৃপক্ষের। তবে নদী বন্দর এবং লঞ্চে এমন পরিস্থিতি করোনা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
কেআর