ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • উপকূলের নিরাপত্তা ও নির্বাচনে নৌবাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয়: নৌপ্রধান বরিশালে তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা মোবাইল প্রযুক্তিতে আস্থার প্রতীক ভোলার মেয়ে মহিমা ঝালকাঠিতে মোটর চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত চোর মুলাদীতে জেলেসহ নৌকা ডুবিয়ে দিল নৌ পুলিশ, বিক্ষোভ টানা ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার             আগামী ৫ জুন শেবাচিম হাসপাতালে চালু হচ্ছে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিশু মৃত্যুর অভিযোগ শেবাচিম হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু নিয়ে স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তুলকালাম
  • ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী অভিযোগ বাল্যবিয়েতেই সমাধান

    ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী অভিযোগ বাল্যবিয়েতেই সমাধান
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আছলামপুরে প্রতিবেশী এক সন্তানের জনকের ধর্ষণে প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এক স্কুলছাত্রী। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই রাতেই ধর্ষকের সঙ্গে দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর বিয়ে দেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

    সোমবার সরেজমিনে গেলে কিশোরীর মা, ধর্ষণকারী আমজাদ হোসেন ও তার পরিবার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক অডিও এবং ভিডিও রেকর্ড এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।

    অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মা জানান, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আমজাদ এবং তার প্রথম স্ত্রী আমার মেয়েকে মেনে নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের লোকেরা কাজী ডেকে বিয়ের ব্যবস্থা করেছেন। এ কারণে আমি মামলা করিনি।

    ধর্ষক আমজাদ জানান, ভুইয়ারহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট আত্মীয় দুলালসহ চেয়ারম্যানের লোকেরা স্থানীয় কাজী ডেকে ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে এই বিয়ে দেন। এটা ফয়সালা হয়ে গেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, স্কুলছাত্রীকে বিয়ের পর থেকে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে রাখা হয়েছে। রফাদফার মাধ্যমে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়।

    আছলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটা নিয়ে বসার জন্য তারিখ দিয়েছিলাম। পরে শুনেছি স্থানীয়রা বিয়ে সম্পন্ন করেন। তাই আমি রাগ করে আর খোঁজ নেইনি।

    চরফ্যাশন থানার ওসি মনির হোসেন মিয়া বলেন, স্থানীয়দের সংবাদে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, কিন্তু কিশোরীর মা ঘটনা স্বীকার করেনি। তাই পুলিশ ফিরে এসেছে। কিশোরী ধর্ষণ এবং বিয়ের বিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলবো।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন বলেন, এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করব।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ