ঝালকাঠি পৌরসভা নামেই প্রথম শ্রেণী, ১১টি সড়ক পড়ে আছে বেহাল দশায়!

প্রথম শ্রেণির ঝালকাঠি পৌরসভা। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে ১১টি সড়ক পড়ে আছে বেহাল দশায়। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ আর ছোট বড় অসংখ্য গর্ত। ভেঙে পড়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থাও। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায় সড়কগুলোতে। বর্ষায় বিভিন্ন সড়কে স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দেয়ায় চলাচলকারীদের দুর্ভোগ এখন চরমে।
দেড়শ বছরের প্রাচীনতম প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা ঝালকাঠি। কিন্তু জেলা শহরের এ পৌরসভাটিতে বছরের পর বছর ধরে ১১টি সড়ক পড়ে আছে বেহাল দশায়। সড়কগুলোর পিচ উঠে তৈরি হয়েছে খানাখন্দ। বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচল দায় হয়ে পড়েছে। তার ওপর শহরের বেশিরভাগ জায়গায় নেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে একটু বৃষ্টিতে ডুবে যায় শহরে পথঘাট।
অনেক জায়গায় বর্ষাকালীন স্থায়ী জলাবদ্ধতাও তৈরি হয়। পৌর এলাকার ব্র্যাকমোড়, টিএন্ডটি রোড, স্ট্যান্ড রোড, সুতালরী, বাঁশপট্টি, কাঠপট্টি, স্টেশনরোড, সিটিপার্ক সড়কসহ বর্ধিত পৌর এলাকায়ও একই চিত্র। বছরের পর বছর ধরে সড়কগুলো সংস্কার না হওয়ায় প্রায় পুরো পৌরবাসীই দুর্ভোগে পড়েছেন।
শহরের ব্র্যাক মোড় এলাকার মিলন তালুকদার বলেন, এই সড়ক দিয়ে হাঁটাই দায়। রিকশা-অটো ঢুকতে চায় না। তারওপর একপশলা বৃষ্টি নামলে ভোগান্তির আর শেষ থাকে না।
শহরের স্ট্যান্ডরোড এলাকার ব্যবসায়ী নূরউদ্দিন বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই দোকান ও ঘরে পানি উঠে যায়। ১০/১২ বছরেও এই সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা মেরামত না করায় এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তবে সমস্যার কথা স্বীকার করে ঝালকাঠি পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. শাহীন সুলতানা বলেন, ‘ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলকরাসহ সড়কগুলো সংস্কারে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পৌর এলাকার সবগুলো রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করা হবে।’
প্রসঙ্গত, ১৮৭৫ সালে যাত্রা করা ঝালকাঠি পৌরসভার লোক সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। এরমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ এই দুর্ভোগে পড়েছেন।
এইচকেআর