ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে গড়ে তোলা হবে নতুন ইপিজেড দুই জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল চালকের পটুয়াখালীতে উপকূলের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে চলছে বাণিজ্য ঝালকাঠির ৭ এলাকাকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত অর্থ সংকটে আটকে আছে ভাঙা-বরিশাল-কুয়াকাটা রেলপথ প্রকল্প, অবরুদ্ধ হাজারো জীবন পিরোজপুরে নমিতা রানী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আরো ‍এক বরিশালে গাঁজা ও ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি রফিকের স্ত্রী, ছেলেসহ আটক ৫ কলাপাড়ায় অটোচালককে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ৩ বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব হলেন আনোয়ারুল হক তারিন সাবেরা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন সাজ্জাদ হোসেন 
  • ঝালকাঠির ৭ এলাকাকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত

    ঝালকাঠির ৭ এলাকাকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত
    ছবি: সংগৃহীত 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠিতে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। প্রতিদিন হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। জেলা শহরের ৭ এলাকাকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

    বর্ষা মৌসুম না আসতেই ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত দুই শতাধিক ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।

    স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জুন ও জুলাই মাসে বর্ষা মৌসুমে মূলত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। তবে এবছর আগে ভাগেই ডেঙ্গু হানা দিয়েছে। সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই জেলা শহরের বিশেষ ৭টি এলাকার। আর ওই ৭টি স্পটকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


    তবে ঝুঁকিপূর্ণ এসব এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, এখানে একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনে পৌরসভার নেই কোনো উদ্যোগ। এর ফলে এখানে দিন দিন ডেঙ্গু ঝুঁকি বেড়েই চলছে।
     
    শহরের কাঠপট্টি এলাকার যুবক মিজান হোসেন বলেন, সড়কের বেশিরভাগ স্থানে খানাখন্দে ভরে গেছে। ড্রেন-নর্দমাও পরিষ্কার করা হয় না। ফলে একটু বর্ষায় জমে থাকে পানি। আর যে কারণে আমাদের এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলছে।
     
    শহরের বাঁশপট্টি এলাকার করিম হোসেন বলেন, বাঁশপট্টিসহ জেলা শহরে ৭টি খাল রয়েছে। সারা বছরই এই খালে ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকে। পৌরসভার পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে এসব খালগুলোতে লোক দেখানো পরিষ্কার কর্মসূচি হয়। রাস্তাঘাটেও ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকে। যে কারণে প্রতিবছরই খাল নিকটবর্তী এলাকাগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে।
     
    শহরে রীডরোড এলাকার বাসিন্দা সুভাষ বিশ্বাস বলেন, মশক নিধনে পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। ঘরে বাইরে মশার যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ।  
     
    তবে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু এখনই চরম শঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে পড়েনি। সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
     
    সম্প্রতি ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন জানান, শহরের ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোতে মশক নিধনসহ পরিচ্ছন্নতায় পৌরসভাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে সবরকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
     
    প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি পৌরসভায় মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। এরমধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষ ডেঙ্গু ঝুকিপূর্ণ এই ৭ এলাকার বাসিন্দা।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ