ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পুলিশ হেফাজতে এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী শেরে বাংলা দিবা-নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা  শিকারপুরে ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা ‍ভাণ্ডারিয়ায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে নির্যাতনের অভিযোগ বরিশাল প্রেসক্লাব কল্যাণ তহবিলে বিসিসি প্রশাসকের লাখ টাকা অনুদান বেগম জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন বাবা-মায়ের ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি পুলক চ্যাটার্জীর মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে শ্বেতপত্রের দাবি ‎নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার চেয়ে বেশি কাজ করার চেষ্টা করবো-প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান
  • পটুয়াখালীতে উপকূলের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে চলছে বাণিজ্য

    পটুয়াখালীতে উপকূলের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে চলছে বাণিজ্য
    এই বনাঞ্চলে মহিষ চড়ানোর জন্যও নেয়া হচ্ছে ২ হাজার টাকা করে। ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বন সংরক্ষক ও বন কর্মকর্তার যোগসাজশে পটুয়াখালী উপকূলের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালীদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে জেলে ও পশুপালনকারীরা। সরকারের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রবাহমান খালে দেয়া হচ্ছে বাঁধ।

    অনিয়মই যেন নিয়ম হয়ে উঠেছে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চর হায়দর, লাল চর ও আগলা চরের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। এই তিনটি চোরের আয়তন ২২৯৫ একর। 

    অর্থ এবং বন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে এসব বনাঞ্চল ব্যাবহারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বনখেঁকোরা। অভিযোগ রয়েছে দশমিনা বন বিভাগের  রেঞ্জ অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং চর হায়দরের বিট অফিসার রওশন হাসানের কাছ থেকে মৌখিকভাবে টাকা দিয়ে নেছার রাড়িসহ কয়েকজন দশমিনার এই বনগুলো অবৈধভাবে লিজ নেন। তারা বনের গাছ ও মাটি কেঁটে উন্মুক্ত বনাঞ্চলের ভেতরে থাকা খালে শতাধিক বাঁধ-এ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার জন্য জেলেদের কাছ থেকে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে মিলছে না খালে মাছ ধরার সুযোগ, ফলে মাছ শিকার না করতে পেরে পেশা হারাচ্ছেন অসংখ্য জেলে।
     
    এছাড়া এই বনাঞ্চলে মহিষ চড়ানোর জন্যও নেয়া হচ্ছে ২ হাজার টাকা করে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পশু পালনকারীরাও। এর প্রতিবাদ করতে গেলে হামলা-মামলাসহ নানা হয়রানির শিকার হচ্ছে জেলে পশু পালনকারীসহ সাধারণ মানুষ। এসব বনখেকোদের আগ্রাসন দূর করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিলেও মিলছে না প্রতিকার।

    বিষয়টি নিয়ে দশমিনা উপজেলার রেঞ্জ অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কাউকে বনাঞ্চল লিজ দেয়া হয়নি। কেউ কেউ দলীয় প্রভাব বিস্তার করে থাকতে পারে। তবে যারা গাছ কেটেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ায় এমন অভিযোগ করছে।
     
    পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, বনের মধ্যে চাইসহ অন্যান্য অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা মৎস্য সম্পদের জন্য ক্ষতিকর। 
     

    উপকূলীয় বন বিভাগের সহককরি বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোসা. নুরুন্নাহার বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি লিজ দেয়া সম্ভব নয়। খালগুলো দ্রুত অবমুক্ত করাসহ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    পটুয়াখালী জেলার মোট ভূমির প্রায় ২% বনাঞ্চল। জেলার মোট আয়তন ৩,২২১.৩১ বর্গকিলোমিটার, যার মধ্যে সরকারি বনাঞ্চল রয়েছে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ বর্গকিলোমিটার বা তারও কম। এর বেশিরভাগই সমুদ্র তীরবর্তী সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বা শ্বাসমূলীয় বন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ