ঢাকা রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • হিজলায় আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দারসহ গ্রেফতার ৬ বিসিসিতে মশক নিধনে বরাদ্দ বাড়লেও কমছে না মশার উপদ্রব বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ‘ঘরবাড়ি’ যেন জেলহাজত! বরিশাল নগরীতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক ২   আমতলীতে সড়ক ধসে মাছের ঘেরে  বিএম কলেজ শিক্ষা-সাংস্কৃতির ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র- মজিবর রহমান সরোয়ার বরিশালে ৫ মাদকসেবিকে কারাদণ্ড ও দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক ১  মুলাদীতে গাছুয়া আব্দুল কাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন দেওয়ান মামুন  মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম বরিশাল জেলা দক্ষিণের পরিচিতি সভা কোচিংয়ে বিরক্ত করার অভিযোগে জিলা স্কুলের দুই শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক
  • কলাপাড়ায় যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট ; বন্ধ শতাধিক খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ

     কলাপাড়ায় যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট ; বন্ধ শতাধিক খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাদুরতলীর খালটি প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ। আর প্রস্থ অবস্থানভেদে ২০০ থেকে ৪০০ ফুট। অথচ স্লুইস সংযুক্ত এই খালটিতে একাধিক স্থানে মাটির বাঁধ দিয়ে ১৫-২৫/৩০ ফুট প্রস্থ কালভার্ট করা হয়েছে। পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে। ফলে ক্রমশ পলির আস্তরণে ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়া দুইপাড়ে খাল দখল করে অসংখ্য স্থাপনা করা হয়েছে। বাড়িঘর থেকে পুকুর পর্যন্ত করা হয়েছে।

    সরকারি অর্থায়নে এভাবে খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করে দেওয়ায় খালটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এই খালের পানি টিয়াখালী ইউনিয়নের একাংশসহ পৌরসভার শত শত পরিবার কৃষিকাজসহ নিত্যদিনের কাজে ব্যবহার করছেন। একই অবস্থা চিংগুরিয়া খালটির অবস্থা। প্রায় ৪০-৫০ ফুট প্রস্থ খালটিতে মূল সড়ক করতে মাত্র ৪-৫ ফুট প্রস্থ একটি কালভার্ট করা হয়েছে। 

    চাকামইয়া নিশানবাড়িয়া থেকে দিত্তার দিকে বহমান অন্তত একশ ফুট প্রস্থ খালে মাত্র ২০ ফুট প্রস্থ একটি কালভার্ট করা হয়েছে। এভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শত শত খালের পানির প্রবাহ আটকে যোগাযোগের জন্য অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মাণের নামে অপ্রশস্ত কালভার্ট করা হয়েছে।

    আবার কোথাও কোথাও বাঁধ দিয়ে পানি চলাচলের পথ সম্পুর্ণভাবে রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব স্লুইস সংযুক্ত ড্রেনেজ খালগুলোয় অপ্রশস্ত কালভার্ট করায় শত শত খালের পানির প্রবাহ আটকে ভরাট হয়ে গেছে। খালগুলো মরা খালে পরিণত হয়েছে। এসব খালকে আবার আশির দশকে স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে চাষযোগ্য কৃষি জমি দেখিয়ে অনেককে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে।

    এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এভাবে অপরিকল্পিত উন্নয়নের পাশাপাশি ভূমি অফিসের এক শ্রেণির কর্মচারী ও তাঁদের দালালদের যোগসাজশে খালগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফলে গত ১৫ বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার ধকলে পড়ছেন কৃষকসহ সাধারণ মানুষ। আর শুকনো মৌসুমে থাকছে না রবিশস্যসহ সবজি চাষের স্বাদু পানি। কৃষি ব্যবস্থায় বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বর্তমানে এই সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। 
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ