ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এলপিজি বিক্রিতে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নজরদারি

সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারি ও খুচরা এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রে এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স, নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি, ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং ক্রয়-বিক্রয়ের হিসাব যাচাই করা হয়।
মনিটরিংয়ের সময় দোকানগুলোতে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের অনুমোদিত ও হালনাগাদ লাইসেন্স রয়েছে কি না, বিক্রয় রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না এবং প্রতিদিনের বিক্রয় তথ্য যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি ডিলারের কাছ থেকে কত দামে সিলিন্ডার কেনা হচ্ছে এবং ভোক্তাদের কাছে কত দামে বিক্রি করা হচ্ছে, তাও যাচাই করা হয়।
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনের নির্দেশনায় ঢাকা, ফরিদপুর ও মাদারীপুর জেলায় এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেন সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক বিনয় কুমার মন্ডল।
তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ভোক্তারা যাতে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই সারা দেশে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসনের পরিচালিত মোবাইল কোর্টেও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত অংশ নিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন।
তদারকির অংশ হিসেবে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান এবং এলপিজি সিলিন্ডারের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি যাচাই করা হয়।
এ সময় ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে পণ্য মজুদ এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
এদিকে ভোক্তাদের সিলিন্ডার কেনার আগে ওজন, সিল, মেয়াদ ও দৃশ্যমান ত্রুটি পরীক্ষা করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
এইচকেআর