ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • উদ্বোধনী ম্যাচের মতো ডি থ্রি টি-টোয়েন্টির ফাইনালও বরিশালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ডোবায় ইতালি পরিবহন নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে জেলেদের নিউইয়র্ক স্টেটের বার পরীক্ষার সনদ পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসিন স্থানীয় নির্বাচন:  বরগুনায় ইসলামী আন্দোলনের ৪৫ প্রার্থী ঘোষণা ‎বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওমর ফারুক, সম্পাদক আল আমিন গাজী সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিকের লাশ দাফনে বাধা, গোপনে গার্ড অব অনার বরিশালে বিএনপি নেতার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের দখলকৃত জমি উদ্ধার ও মাজার কার্যক্রম বন্ধ নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ উজিরপুরে যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৯
  • হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা

    হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা
    হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে গেছেন উপকূলের জেলেরা। কিন্তু, জেলেদের জালে ধরা পরছে না কাঙ্খিত পরিমাণ ইলিশ। যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে তা বিক্রি করে তেল খরচও উঠছে না। এ কারণে চরম হতাশা মধ্যে আছেন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলের হাজার হাজার জেলে। দাদনে আনা ঋণের টাকা পরিশোধ ও সংসারের ব্যয়ভার বহন নিয়ে চিন্তিত তারা। জেলেদের দাবি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তারা মাছ শিকারে বিরত থাকলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা বঙ্গপোসাগরে মাছ শিকার করেছেন। যার কারণে এখন সাগরে কাঙ্খিত ইলিশের দেখা মিলছে না।


    জানা গেছে, ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদী ও সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা ও বাজারজাত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পরে অনেক বেশি মাছ পাওয়ার আশায় দলে দলে সাগরে যায় উপকূলের জেলেরা। কিন্তু, সাগরে তেমন পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। যা পাচ্ছেন, তা বিক্রি করে মাছ ধরার নৌযানের তেল খরচ আসে না।

    রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ জেলেপল্লিতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মাছ ধরার ট্রলার ঘাটে নোঙ্গর করা। জেলেরা কেউ ট্রলারে বসে, আবার কেউবা বেরিবাঁধের পারে বসে ছেঁড়া জাল সেলাই ও নতুন জাল গুছিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। এ সময় জেলেরা নয়া দিগন্তকে জানান, ইলিশ না পাওয়ায় অনেক ট্রলার সমুদ্র থেকে ফিরে এসেছে। তাই সাগরে না গিয়ে ঘাটে নোঙর করে আছেন তারা।

    চরমোন্তাজের জেলে আল আমিন মাঝি জানান, ‘আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে, তবুও সাগরে মাছ নেই। গত সপ্তাহে জাল ও ট্রলার নিয়ে সাগরে গেছি। তেল ও খাবার কেনার জন্য ২২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু, মাছ বিক্রি করে পাইছি মাত্র ৭ হাজার টাকা। এত টাকা ঘাটতি হলে ঋণের বোঝা বাড়তেই থাকবে। এ জন্য সাগর থেকে ফিরে আসার পর এবার আর যাইনি। মাছ পরা শুরু করলে আবার যাব।’


    একই এলাকার জেলে খলিল মুন্সী জানান, ‘সরকার ২২ দিনের অবরোধ দিছে। আমরা আইন মেনে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিলাম। কিন্তু, ওই সময় বঙ্গপোসাগরে বংলাদেশের সীমানায় এসে মাছ শিকার করে নিয়ে গেছে ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা। এখন অবরোধ শেষ হইছে। আমরা সাগরে গেছি, জাল ফেলে দেখি মাছের দেখা নাই। এক সপ্তাহ সাগরে থাকতে যে পরিমাণ খরচ হয়, মাছ বিক্রি করে তা উঠেনা।’

    রাঙ্গাবালী উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক বাবুল জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেরা সাগরে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিল। তাই এখন সাগরে তুলনমূলক বেশি ইলিশ ধরা পরার কথা। আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। আশা করি ইলিশ ধরা পরবে।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ