ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার
  • হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা

    হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা
    হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে গেছেন উপকূলের জেলেরা। কিন্তু, জেলেদের জালে ধরা পরছে না কাঙ্খিত পরিমাণ ইলিশ। যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে তা বিক্রি করে তেল খরচও উঠছে না। এ কারণে চরম হতাশা মধ্যে আছেন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলের হাজার হাজার জেলে। দাদনে আনা ঋণের টাকা পরিশোধ ও সংসারের ব্যয়ভার বহন নিয়ে চিন্তিত তারা। জেলেদের দাবি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তারা মাছ শিকারে বিরত থাকলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা বঙ্গপোসাগরে মাছ শিকার করেছেন। যার কারণে এখন সাগরে কাঙ্খিত ইলিশের দেখা মিলছে না।


    জানা গেছে, ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদী ও সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা ও বাজারজাত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পরে অনেক বেশি মাছ পাওয়ার আশায় দলে দলে সাগরে যায় উপকূলের জেলেরা। কিন্তু, সাগরে তেমন পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। যা পাচ্ছেন, তা বিক্রি করে মাছ ধরার নৌযানের তেল খরচ আসে না।

    রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ জেলেপল্লিতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মাছ ধরার ট্রলার ঘাটে নোঙ্গর করা। জেলেরা কেউ ট্রলারে বসে, আবার কেউবা বেরিবাঁধের পারে বসে ছেঁড়া জাল সেলাই ও নতুন জাল গুছিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। এ সময় জেলেরা নয়া দিগন্তকে জানান, ইলিশ না পাওয়ায় অনেক ট্রলার সমুদ্র থেকে ফিরে এসেছে। তাই সাগরে না গিয়ে ঘাটে নোঙর করে আছেন তারা।

    চরমোন্তাজের জেলে আল আমিন মাঝি জানান, ‘আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে, তবুও সাগরে মাছ নেই। গত সপ্তাহে জাল ও ট্রলার নিয়ে সাগরে গেছি। তেল ও খাবার কেনার জন্য ২২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু, মাছ বিক্রি করে পাইছি মাত্র ৭ হাজার টাকা। এত টাকা ঘাটতি হলে ঋণের বোঝা বাড়তেই থাকবে। এ জন্য সাগর থেকে ফিরে আসার পর এবার আর যাইনি। মাছ পরা শুরু করলে আবার যাব।’


    একই এলাকার জেলে খলিল মুন্সী জানান, ‘সরকার ২২ দিনের অবরোধ দিছে। আমরা আইন মেনে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিলাম। কিন্তু, ওই সময় বঙ্গপোসাগরে বংলাদেশের সীমানায় এসে মাছ শিকার করে নিয়ে গেছে ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা। এখন অবরোধ শেষ হইছে। আমরা সাগরে গেছি, জাল ফেলে দেখি মাছের দেখা নাই। এক সপ্তাহ সাগরে থাকতে যে পরিমাণ খরচ হয়, মাছ বিক্রি করে তা উঠেনা।’

    রাঙ্গাবালী উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক বাবুল জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেরা সাগরে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিল। তাই এখন সাগরে তুলনমূলক বেশি ইলিশ ধরা পরার কথা। আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। আশা করি ইলিশ ধরা পরবে।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ