ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ববিতে শিবিরকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি, ছাত্রদল সভাপতিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ বরিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালিত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলেকান্দা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়া  র‍্যাব-৮'র সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদুর বরখাস্ত প্রযুক্তিনির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সমগতের বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক ক্যাম্প  জিয়াউর রহমান হত্যায় পলাতক আসামি মেজর মোজাফফর আটক বানারীপাড়ায় জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি  বরিশালে ১১দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে: হেলাল বরিশালে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২১  বরিশালে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
  • নেশা করতে বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে হাতুড়িপেটায় হত্যা

    নেশা করতে বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে হাতুড়িপেটায় হত্যা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    নরসিংদীতে নেশা করতে বাধা দেয়ায় এক গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে তার স্বামী।

    শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে নরসিংদীর উপ-শহর হাজিপুরের চকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    নিহত সুবর্না আক্তার (২১) হাজীপুর বেঙ্গল এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে। গ্রেফতার সোহেল মিয়া স্থানীয় বাজারে হলুদ মরিচের দোকানের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো।

    পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, প্রায় ৩ বছর আগে হাজীপুর বেঙ্গল শফিকুল ইসলামের মেয়ে সুবর্না আক্তারের সঙ্গে সোহেল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই যৌতুক ও নেশার টাকা যোগার করে দেয়ার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করতো। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকতো। এরই জের ধরে সুবর্না কয়েক দফায় বাপের বাড়ি চলে যান।

    সর্বশেষ গত শুক্রবার দুপুরে সুবর্নাকে তার বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে আসে স্বামী সোহেল মিয়া। কিন্তু দিন পের হতে না হতেই পুনরায় ঝগড়া শুরু হয়। রাত ২টার দিকে স্বামী সোহেল মিয়াকে নেশা করতে বাধা দেয় তার স্ত্রী। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।

    পরে ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোহেল মিয়া হাতুড়ি ও সেলাই রেঞ্চ দিয়ে তার স্ত্রী মাথায় ও মুখমণ্ডলে এলোপাতাড়ি পিটাতে থাকে। এর এক পর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেটে আঘাত করে। রাত ৩টার দিকে বাড়িওয়ালার স্ত্রী বের হয়ে সুবর্নাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ নিহতের স্বামী সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করে।

    নিহতের বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, জামাই নেশাগ্রস্ত ছিলো সেটা আমরা জানতাম না। দুদিন পর পর সংসারে ঝগড়া লেগেই থাকতো। পরে মিলিয়ে দিতাম। বিয়ের পর থেকে এভাবেই চলছিল। আমি গরিব। পিঠা বিক্রি করে সংসার চালাই। এর মধ্যে যতটুকু সম্ভব টাকা দিয়ে জামাইয়ের চাহিদা মিটাতাম। কিন্তু সব সময় পেরে উঠতাম না। তাই বলে সে আমার মেয়েটাকে মেরে ফেলবে। আমি তার বিচার চাই।

    নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানতে অনুসন্ধান চলছে। তবে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে, তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হতো না।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ