ঢাকা রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে বিএনপি নেতা ‘অপহরণ’, আ'লীগ নেতা, সাবেক পুলিশ কমিশনার ও ডিসির বিরুদ্ধে মামলা মোহনায় ভেসে এলো ২২ কেজির কোরাল, ১৯ হাজারে বিক্রি ঝালকাঠিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে ক্যাবের মানববন্ধন সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী দুই শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ  রহমতের দশকে আত্মশুদ্ধির ডাক: আজ দ্বিতীয়  ভাঙনের কবলে বরগুনার পর্যটনস্পট শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত নকলের মতোই শিক্ষাঙ্গন হবে মাদক-সন্ত্রাস ও ইভটিজিং মুক্ত: শিক্ষামন্ত্রী
  • খানসামার কৃষকদের আশার আলো দেখাবে সাদা সোনা

    খানসামার কৃষকদের আশার আলো দেখাবে সাদা সোনা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশের সর্বাধিক রসুন উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কৃষকরা ব্যাপকহারে রসুনের চাষ  করেছেন। বিগত বছরগুলোতে চাষিরা নিজেদের উদ্ভাবিত বিনা হালে রসুন চাষ পদ্ধতিতে ব্যাপক সফলতা পাওয়ায় এবং উৎপাদিত রসুনের ভালো দাম পাওয়ায় এ মৌসুমেও তারা রসুন চাষে ঝুঁকেছেন।

    সেচ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় এবার উপজেলায় রসুনের বাম্পার ফলনের মাধ্যমে কৃষক লাভবান হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসূমে খানসামা  উপজেলায় ৩ শত ৫৭ হেক্টর জমিতে রসুনের চাষাবাদ হয়েছে। আকস্মিক কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারে রসুনে ব্যাপক লাভবান হবে কৃষক এমনটাই আশা করছে কৃষি বিভাগ।

    খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি, ভেড়ভেড়ি, আঙ্গারপাড়া,খামার পাড়া, ভাবকী, গোয়ালদিহি চাকিনিয়া ও কাচিনিয়া গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভালো দাম পাওয়ায় এ বছরও এ এলাকার কৃষকরা ব্যাপকহারে রসুন চাষ করেছেন। এবার রসুন বীজের অঙ্কুরোদগমও ভালো হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় এবং প্রয়োজনীয় সেচ ও সার পাওয়ায় রসুনের চারা এখন দ্রত গতিতে বেড়ে চলেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রসুনের বাম্পার ফলন হবে এমন আশা করছেন তারা। আর তাই রসুন চাষিরা সকাল-সন্ধ্যা দিনমজুর ও স্ত্রী-পুত্রদের সাথে নিয়ে রসুনের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

    উপজেলার চাকিনিয়া গ্রামের রসুন চাষি হবিবর রহমান ও আগ্রা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলোম, জাকারিয়া জানান, প্রতি বিঘা জমিতে রসুন চাষে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক লাগছে। তাদের শ্রমের মূল্য ও খাবার বাবদ খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। এছাড়া বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ দিতে আরও প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ পড়ছে। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ২৫ থেকে ৩০ মণ রসুন পাওয়া যাবে। মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা কম হলেও পরবর্তীতে প্রতিমণ রসুন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা যাবে। এতে বিঘা প্রতি সব খরচ বাদে ৬০ হাজার টাকা লাভ থাকবে বলে আশা করছেন তারা।

    উপজেলা কৃষি অফিসার বাসুদেব রায় বলেন, বর্তমানে খানসামা উপজেলার কৃষকদের কাছে রসুন প্রধান অর্থকরী ফসল হয়ে উঠেছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো আছে। তাই এবার রসুনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

     


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ