ঢাকা শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল-২ আসনে সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় দোয়া  নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব জনগণ বিশ্বাস-ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার প্রতিদানের পালা: তারেক রহমান কাঁঠালিয়ায় জামায়াতের কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কার্যালয় ভাংচুর আমাদের বাধ্য করা হলে রাজপথে নামব: জামায়াত আমির ত্রয়োদশ সংসদে যাচ্ছেন বিএনপির যেসব প্রবীণ নেতা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে দেশ চরমোনাই পীরের তিন ভাই কে কোথায় হেরেছেন  ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: আলোচনায় তুঙ্গে থেকেও হারলেন যারা
  • মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ

    মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে ভারতের পণ্য ট্রান্সশিপমেন্টের ট্রায়াল রানের (পরীক্ষামূলক পণ্য পরিবহন) জাহাজ। রোববার সকাল ৭টার দিকে ‘এমভি রিশাদ রায়হান’ জাহাজটি মোংলা বন্দরে কাছে নোঙর করে। 

    এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘গত ১ আগস্ট কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজটি ছেড়ে আসে।এরপর রোববার সকাল ৭টার দিকে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। আগামীকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে এসে ভিড়বে। তারপর জাহাজের মালামাল খালাস করা হবে।’

    তিনি আরও জানান, জাহাজে দুটি কনটেইনার রয়েছে। তার মধ্যে একটিতে রয়েছে ১৬ টন লোহার পাইপ। সেগুলো খালাসের পর তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতের মেঘালয়ে যাবে। অপর কনটেইনারে রয়েছে সাড়ে ৮ টন প্রিফোম। সেগুলো খালাসের পর কুমিল্লার বিবিরবাজার সীমান্ত দিয়ে আসামে যাবে। ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া (এসিএমপি)’ চুক্তির আওতায় এ ট্রায়াল রান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের মধ্যে ২০১৮ সালের অক্টোবরে চুক্তি হয়।

    এরপর প্রথমবারের মতো ট্রায়াল রান হয়েছিল ২০২০ সালের জুলাইয়ে। তখন কলকাতা বন্দর থেকে পণ্যবাহী ছোট জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে স্থলপথে পণ্য আগরতলা নেয়া হয়েছিল। জাহাজে পণ্য ছিল ডাল ও রড। কিন্তু করোনা মহামারিসহ নানা জটিলতায় গত চার বছরে এ চুক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

    পরে ভারতের পক্ষ থেকে চারটি রুটে ট্রায়াল রানের অনুমতি চাওয়া হয়ছিল। তবে আপাতত দুটি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট দিতে রাজি হয় বাংলাদেশ।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ