ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতির পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বরিশালে জনসাধারণের চলাচলের পথ দখল, ৩ ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড  কুয়াকাটায় পর্যটকের ভাটা, বিপাকে পর্যটন খাত  ভোলায় টানা বৃষ্টিপাতে পানিবন্দি ২৫ হাজার মানুষ  বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত তথ্যমন্ত্রীর সাথে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব কাজ হারাতে পারেন অসংখ্য শ্রমিক, ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মুখে দেশ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল সফর সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা
  • মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ

    মোংলায় ভারতের ট্রায়াল রানের জাহাজ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে ভারতের পণ্য ট্রান্সশিপমেন্টের ট্রায়াল রানের (পরীক্ষামূলক পণ্য পরিবহন) জাহাজ। রোববার সকাল ৭টার দিকে ‘এমভি রিশাদ রায়হান’ জাহাজটি মোংলা বন্দরে কাছে নোঙর করে। 

    এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘গত ১ আগস্ট কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজটি ছেড়ে আসে।এরপর রোববার সকাল ৭টার দিকে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। আগামীকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে এসে ভিড়বে। তারপর জাহাজের মালামাল খালাস করা হবে।’

    তিনি আরও জানান, জাহাজে দুটি কনটেইনার রয়েছে। তার মধ্যে একটিতে রয়েছে ১৬ টন লোহার পাইপ। সেগুলো খালাসের পর তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতের মেঘালয়ে যাবে। অপর কনটেইনারে রয়েছে সাড়ে ৮ টন প্রিফোম। সেগুলো খালাসের পর কুমিল্লার বিবিরবাজার সীমান্ত দিয়ে আসামে যাবে। ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া (এসিএমপি)’ চুক্তির আওতায় এ ট্রায়াল রান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের মধ্যে ২০১৮ সালের অক্টোবরে চুক্তি হয়।

    এরপর প্রথমবারের মতো ট্রায়াল রান হয়েছিল ২০২০ সালের জুলাইয়ে। তখন কলকাতা বন্দর থেকে পণ্যবাহী ছোট জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে স্থলপথে পণ্য আগরতলা নেয়া হয়েছিল। জাহাজে পণ্য ছিল ডাল ও রড। কিন্তু করোনা মহামারিসহ নানা জটিলতায় গত চার বছরে এ চুক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

    পরে ভারতের পক্ষ থেকে চারটি রুটে ট্রায়াল রানের অনুমতি চাওয়া হয়ছিল। তবে আপাতত দুটি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট দিতে রাজি হয় বাংলাদেশ।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ