ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নিম্নআয়ের পরিবারে বিক্রির জন্য ২ কোটি লিটার পাম অলিন কিনবে সরকার গলাচিপায় অভিভাবকহীন দুই শিশুর পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও  কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি  উদ্বোধনের দুই মাসেই বেহাল ৭৫ লাখের সড়ক, উঠছে পিচ-পাথর ট্রাফিক কার্যালয় পরিদর্শনে বিএমপি কমিশনার এসএসসির ফলে অসন্তোষ: ৪ লাখ শিক্ষার্থীর প্রায় ১৩ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জ গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট ‘উল্লাস’-২০২৬ সিজন ২ সমন্বয় সভা  বরিশালে ঘরোয়া রেস্তোরাসহ চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা 
  • নির্যাতনের ভয়াবহ বর্ণনা দিল চীনের মুসলিমরা

    নির্যাতনের ভয়াবহ বর্ণনা দিল চীনের মুসলিমরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাজ্যের একটি আদালতে চীন সরকারের নির্যাতনের সাক্ষ্য দিয়েছে উইঘুররা। শুক্রবার দেশটির স্বাধীন আদালতে মারধর, জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং নির্যাতনের ভয়াবহ বর্ণনা দেন ভুক্তভোগীরা।


    চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দেশটি ১০ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে নির্বিচারে বন্দি রেখেছে। এছাড়া দেশটি নারীদের বন্ধ্যাকরণ, ধর্ষণ, নির্যাতন, বাধ্যতামূলক শ্রম আদায় এবং ধর্মীয়, বাক ও চলাচলের স্বাধীনতায়ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। যদিও চীন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়, জিনজিয়াং প্রদেশের তিনজন উইঘুর তুরস্কে পালিয়ে যান। যুক্তরাজ্যের আদালতে তারা কর্তৃপক্ষের জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং নিপীড়নের সাক্ষ্য দিয়েছেন। লন্ডনের আদালতে দেওয়া এই তিনজনের সাক্ষ্য-প্রমাণ, উইঘুরদের ওপর চীনের গণহত্যার তদন্তে ব্যবহৃত হবে।   
     
    সাক্ষী দেওয়া তিনজনের একজন নারী বলেন, তিনি যখন সাড়ে ছয়মাসের গর্ভবতী, কর্তৃপক্ষ তখন তাকে গর্ভপাতে বাধ্য করে। আরেকজন পুরুষ বলেন, কারাগারে সেনারা তাকে দিনরাত নির্যাতন করেছে। 

    আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া ৫৫ বয়সী রোজি নামে আরেক উইঘুর নারী বলেন, ২০০৭ সালে কয়েকজন প্রেগন্যান্ট নারীর সঙ্গে তাকেও গ্রেফতার করা হয়। কর্তপক্ষ তাকে পঞ্চম সন্তান গর্ভপাতে বাধ্য করে। আদেশ পালন না করলে তার বাড়ি ক্রোক করে নেওয়া হতো বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাকে পিল খাইয়ে গর্ভপাত করানো হয় বলে বর্ণনা দেন তিনি। 

    যুক্তরাজ্যের যে আদালতে নিপীড়িত উইঘুররা সাক্ষ্য দিয়েছেন সেটা ‘স্বাধীন আদালত।’ ব্রিটিশ সরকার এখানে কোনো রকম প্রভাব বিস্তার করছে না। শুক্রবার আদালতে শুনানি শুরু হয়েছে। ডজনের বেশি উইঘুর ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আয়োজকরা প্রত্যাশা করছেন, জনসম্মুখে দেওয়া নির্যাতনের প্রমাণ চীনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রয়োজন হবে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ