ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাসভাড়া বাড়লো কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা এইচএসসি পরীক্ষার ফল নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে: সড়কমন্ত্রী বাউফলে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণে জনমনে আতঙ্ক যশোরে প্রায় আড়াই হাজার বোতল উনকোরেক্সের চালান নিয়ে বরিশালের হেমায়েত সহযোগীসহ গ্রেফতার   খুলনায় নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি পিরোজপুরে গ্রেফতার   বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক গবেষণাগার'র উদ্বোধন  কার্যক্রম নেই, তবু বেতন পাচ্ছেন দারুল আরকামের শিক্ষকরা পরকীয়ার জেরে মহুরি স্বামীকে শীল দিয়ে হত্যা, স্ত্রী গ্রেপ্তার নারীদের স্বাবলম্বী করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: রহমাতুল্লাহ
  • সন্তান লুকিয়ে রেখে অপহরণ মামলা, ভোলার পুলিশ ভেদ করলো রহস্য

    সন্তান লুকিয়ে রেখে অপহরণ মামলা, ভোলার পুলিশ ভেদ করলো রহস্য
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    নিজের জালেই ফাঁসলেন ভোলার সদর উপজেলার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। দুই সন্তানকে লুকিয়ে আপন ভাইদের নামে অপহরণ মামলা করেছিলেন রফিকুল। তবে পুলিশের অনুসন্ধানে ভেস্তে যায় তার পরিকল্পনা।

    ঘটনার প্রায় তিন বছর পর শনিবার মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে লুকিয়ে রাখা দুই ভাইকে।

    উদ্ধারের পর মঙ্গলবার তাদেরকে ভোলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে তারা জানান, অপহরণ নয় তাদের বাবার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে লুকিয়ে ছিলেন তারা।

    আদালতে উদ্ধার হওয়া ইমন জানায়, চাচাদের সঙ্গে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে তার বাবা প্রথমে তার নাম পাল্টে চট্টগ্রামের একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করান। নাম পরিবর্তন করে বড় ভাই নিজাম চাকরি নেন। পরে তারা নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। সেখানে নাম পরিবর্তন করে সিরাজ নামে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয় ইমনকে। আর নিজাম উদ্দিন স্ত্রী সন্তান নিয়ে সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থেকে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। তাদের সঙ্গে তাদের বাবা মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। মাঝেমধ্যে দেখা করতে আসতেন।

    বিচারক ফরিদ আলম জবানবন্দি শুনে দুই জনকে সেফহোমে পাঠান। সেই সঙ্গে অপহরণ মামলার বাদী রফিকুল ইসলামকে আটক করে তার বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন পুলিশকে।

    মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ছোট ছেলে ইমন অপহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে আপন তিন ভাইসহ ৫ জনের নামে মামলা করেন রফিকুল।

    পরের বছর ২০১৮ সালের ২৫ মে বড় ছেলে নিজামউদ্দিনকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রফিকুল। এবারের মামলায় আগের ৫ জনসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার হয়ে জেলও খেটেছেন।

    মামলার এক পর্যায়ে দুইটি অপহরণের ঘটনা সাজানো হতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করে আদালত। আদালত বাদিকে জিজ্ঞাসাবাদসহ তার মোবাইল ফোন ট্রাকিং করার নির্দেশ দেন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। আর এতেই বের হয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    ভোলার সহকারী পুলিশ সুপার (সিআইডি) অহিদুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া দুজনই স্বীকার করেছেন যে,তাদের চাচাকে ফাঁসাতে বাবা রফিকুল ইসলাম মিথ্যা অপহরণ মামলা করেছে। আর এ মিথ্যা মামলা দেয়ায় বাদির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     


    এনবি/এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ