ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান বিচ কার্নিভালে উৎসবের আমেজে মাতোয়ারা লক্ষাধিক পর্যটক বরিশাল প্রেসক্লাব অডিটোরিয়াম সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন বিসিসি প্রশাসক শিরীন ইতালিতে একের পর এক ১২টি ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি কাশিপুরে গ্যাসের গোডাউন থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাল‍ামাল চুরি  এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকা পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগ বাকেরগঞ্জে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে যুবকের আত্মহত্যা ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেতে পারে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বরিশালে ‍ইয়াবাসহ চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রেফতার মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা অচল, অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে 
  • স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলন

    পেছাল টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, শুরু হবে ১২ অক্টোবর

    পেছাল টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, শুরু হবে ১২ অক্টোবর
    ছবি: প্রতীকী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশব্যাপী শিশু-কিশোরদের জন্য নির্ধারিত টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি এক মাসেরও বেশি পিছিয়ে গেছে। আগের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে টিকাদান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলনের কারণে প্রস্তুতি নিতে দেরি হওয়ায় নতুন তারিখ ঠিক করা হয়েছে।

    শনিবার (১৬ আগস্ট) সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) ব্যবস্থাপক ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

    তিনি জানান, স্বাস্থ্য সহকারীরা মাঠে না থাকলে ক্যাম্পেইন পরিচালনা সম্ভব নয়। তাদের আন্দোলনের কারণে সময়মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায়নি। তাই টিকাদান কর্মসূচি পিছিয়ে ১২ অক্টোবর থেকে শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং রোববার (১৭ আগস্ট) এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি ইস্যু করা হবে।

    নতুন সময়সূচি অনুযায়ী মোট ১৮ কর্মদিবস টিকা কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে প্রথম ১০ কর্মদিবস বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ক্যাম্প করে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে। পরবর্তী আট কর্মদিবস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত বা স্কুলে না যাওয়া শিশুদের টিকা দেওয়া হবে টিকাদান কেন্দ্রে। নিবন্ধন ও কার্ড দেওয়ার নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকবে। জন্ম নিবন্ধন সনদ ছাড়াও বাবা-মায়ের মোবাইল নম্বর দিয়েও অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে।

    সরকারি হিসাবে, ৯ মাস বয়স থেকে ১৫ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশু-কিশোর এ টিকা পাবে। এক ডোজ ইনজেকটেবল এই টিকা শিশুদের তিন থেকে সাত বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের সহায়তায় টিকাগুলো দেশে আনা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সময়মতো ক্যাম্পেইন শুরু না হলে অনেক শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে। ঢাকার গবেষণাগুলোতে দেখা গেছে, শিশুদের মধ্যে প্রতি লাখে এক হাজারেরও বেশি টাইফয়েড আক্রান্ত হওয়ার হার রয়েছে, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ হারের অন্যতম। তাই নির্ধারিত সময়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

    প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য সহকারীরা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি, বেতনস্কেল উন্নয়ন ও চাকরির স্থায়িত্ব নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে মাঠপর্যায়ে সরকারি টিকাদান কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের সঙ্গে সমঝোতায় আসা ছাড়া জাতীয় পর্যায়ের বড় ধরনের ক্যাম্পেইন সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, টাইফয়েড হলো স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর, যা দূষিত খাদ্য ও পানির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। এর উপসর্গ প্রাথমিকভাবে অস্পষ্ট থাকায় শিশুদের মধ্যে রোগটি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা কর্মসূচি বিলম্বিত হলেও নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন হলে শিশুস্বাস্থ্যের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ