বরিশাল ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মজিবর রহমান সরোয়ার

বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মজিবর রহমান সরোয়ার এমপি। গতকাল দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় ক্লাবের সিনিয়র সদস্য সৈয়দ আহসান কবির হাসানের প্রস্তাবে উপস্থিত সকল সদস্যদের সম্মতিক্রমে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এর আগেও তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র সদস্য আলতাফ মাহমুদ সিকদার। বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সদস্য ও সংস্কার কমিটির সার্বিক তত্ত্ববধায়ক আসাদুজ্জামান খসরু, শেখ আবদুর রহিম, সৈয়দ আহসান কবির হাসান, কেএম শহিদুল্লাহ, হাবিবুর রহমান টিপু, সাঈদ আহমেদ মনা, কাজী আল-মামুন, কাজী মিরাজ, ফিরদাউস সোহাগ, শেখ মাছুম হায়দার, লিয়াকত আলী লিকু, রাউফুল আলম নোমান মল্লিক, নাইমুল হাসান নাঈম, আবু বকর সিদ্দিক সোহেল, মাহমুদুল করিম চৌধুরী হাসনাইন। সভার শুরুতে ক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।
নবনির্বাচিত সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার এমপি বলেন, ঐতিহ্যবাহী বরিশাল ক্লাবকে রাজনীতি বিমুখ হতে হবে। ক্লাবের উন্নয়নে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
তিনি বলেন, ক্লাবের আয় সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। ঐতিহ্যবাহি এই ক্লাবে যারা সদস্য হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের ক্লাবের নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমিও এর ব্যতিক্রম নই।
মজিবর রহমান সরোয়ার ৫ আগষ্ট পরবর্তী ক্লাবের হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সদস্যদের নিজেদের আয়ে পরিচালিত এই ক্লাবটি রাজনৈতিক কারণে ভাংচুরের শিকার হয়েছে। অতীতে যারা ক্লাবের নেতৃত্বে ছিলেন তারা ক্লাবটিকে ব্যক্তিগত সম্পদ এবং রাজনৈতিক কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করেছেন। এটি ঠিক নয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তৃতা করেন, সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র সদস্য আলতাফ মাহমুদ সিকদার। আয়-ব্যয়ের হিসাব উত্থাপন করেন, আলহাজ কেএম শহিদুল্লাহ।
দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের সঞ্চালনা করেন, ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান টিপু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম নিলু, এমএস আলম, রিয়াজ উল কবির, ডা. আজিজ রহিম, হায়দার আলী খান, মির্জা মোজাম্মেল হোসেন, এ.এফ.এম আনোয়ারুল হক সাব্বির, আবদুল হালিম ভুইয়া, এম জেড এইচ আজাদ, শফিকুল ইসলাম চুন্নু, রেজিন উল কবির, প্রফেসর ইমানুল হাকিম প্রমুখ।
এইচকেআর