ঢাকা বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এসএসসির ফলে অসন্তোষ: ৪ লাখ শিক্ষার্থীর প্রায় ১৩ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জ গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট ‘উল্লাস’-২০২৬ সিজন ২ সমন্বয় সভা  বরিশালে ঘরোয়া রেস্তোরাসহ চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা  জনগণের সহযোগিতা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: নবাগত ডিআইজি লালমোহনে পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর, দুর্গন্ধে এলাকাবাসী কুয়াকাটা সৈকতে বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে বালু, ঝুঁকিতে পুলিশ বক্স পিরোজপুরে ইয়াবাসহ গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার ৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক, ১৬৬ জনের তথ্য ‘খুঁজে পাচ্ছে না’ কারা কর্তৃপক্ষ কাউখালীতে নাগরিক উদ্যোগের বার্ষিক পর্যালোচনা সভা  বরিশালে জাতীয় ফলমেলা উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী
  • এক কেজি সবজির দাম এক লাখ টাকা!

    এক কেজি সবজির দাম এক লাখ টাকা!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

     

    যদিও খুব কম মানুষই এই নামটির সঙ্গে পরিচিত।
    সারাবিশ্বের কাছে এই গাছটির অবশ্য আলাদা একটি পরিচয় রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি সবজির গাছ এটি। এর প্রতি কেজির দাম ১ লাখ টাকারও বেশি!

    বাজারে চাহিদা না থাকায় ভারত-বাংলাদেশে এই সবজির চাষ হয় না। মূলত ইউরোপ এবং আমেরিকায় এর বহুল উৎপাদন হয়ে থাকে।

    হিউমুলাস লুপুলাস একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। সম্প্রতি ভারতের বিহারের এক ব্যক্তি তার জমিতে এই গাছের চাষ করেন। এক আইএএস অফিসার সবজির ছবিসহ দামের উল্লেখ করে ইন্টারনেটে পোস্ট করা মাত্রই হইচই পড়ে গেছে।

    বিহারের ওই ব্যক্তির নাম অমরেশ সিংহ। ভারতে তিনিই প্রথম এই সবজির চাষ করছেন। এর নাম হপ শুটস।

    বিহারের আওরঙ্গবাদে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৫ কাঠা জমিতে তিনি এই সবজির চাষ করেছেন।

    সবজিটি দেখতে অনেকটা অ্যাসপারাগাসের মতো। খেতেও অনেকটা সে রকমই। অ্যাসপারাগাস যেভাবে রান্না করে খেতে হয় এই সবজিও সেভাবেই খেতে পারেন। এ ছাড়া আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে এর।

    এই গাছের ফুল হপ নামে পরিচিত। এই ফুল দিয়ে বিয়ার তৈরি করা হয়। কোনও পানীয়তে সুগন্ধী দেওয়ার কাজেও লাগে এই ফুল। হপ ফুল দিয়ে তৈরি বিয়ার সহজে নষ্ট হয় না।

    মূলত পানীয় তৈরিতেই প্রথম এই গাছের ব্যবহার সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর ধীরে ধীরে এর ঔষধি গুণ সামনে আসতে শুরু করে।

    ওই সবজি প্রথম চাষ হয় ৭৩৬ সালে জার্মানিতে। তবে প্রথম হপ শুটস পানীয়তে ব্যবহার করা হয় ১০৭৯ সালে। পরবর্তী কালে হপ শুটস-এর আরও অনেক ঔষধি গুণের কথা সামনে আসে।

    এর বিশেষ অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ রয়েছে। টিবি রোগীদের ওষুধ তৈরিতে, ক্যানসারের চিকিৎসায় কাজে লাগে হপ শুটস। এই সমস্ত কারণেই হপ শুটস-এর এমন আকাশছোঁয়া দাম।

    হপ শুটস-এর মধ্যে থাকা অ্যাসিড ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ক্যানসারের ওষুধ তৈরিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই হপ শুটস নিয়ে বহু গবেষণাও চলছে।

    এই গাছটি মূলত ঝোপ প্রকৃতির। ফুলগলো সবুজ রঙের আর খুব নরম। তাই খুব সাবধানে গাছ থেকে তুলতে হয় সেগুলো। তোলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা আর বিক্রির যোগ্য থাকে না।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ