ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো লেনদেন নয়, প্রশাসনের সতর্কবার্তা বরিশালে রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিককে শাস্তিমূলক বদলির প্রতিবাদে গেট মিটিং  বরিশাল মহানগর পুলিশের মাস্টার প্যারেড মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা  বরিশ‍াল বিভাগের তিন জেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সাথে আনোয়ারুল হক তারিনের শুভেচ্ছা বিনিময় রাহুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে হাজারও মানুষ, যোগ দিলেন নেহাও বাবুগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ২ আগৈলঝাড়ায় পোষ্ট মাস্টারের দায়িত্বে পোষ্টম্যান এই আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পৃক্ত হয়ে পরেন: জহির উদ্দিন স্বপন
  • কাবুলের রাস্তায় পানির দরে আববাবপত্র বিক্রি!

    কাবুলের রাস্তায় পানির দরে আববাবপত্র বিক্রি!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    গত মাসে তালেবান দ্বিতীয় দফায় আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর চরম অর্থনৈতিক দুরবস্থায় পড়েছে দেশটির জনগণ। অনেকেই না খেয়ে দিন পার করছেন। কেউ কেউ মরিয়া হয়ে পালাতে চাইছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি থেকে। খাবার জোটাতে কিংবা দেশ ছাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে তারা বিক্রি করে দিচ্ছে টেলিভিশন, কার্পেট কিংবা ফ্রিজের মতো আববাবপত্র।

    রাজধানী কাবুলের জনগণ তাদের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র বিক্রির জন্য রাস্তাতেই বাজার বসিয়েছে বলে স্থানীয় টোলো নিউজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

    বিভিন্ন দামি জিনিসপত্র তারা পানির দামে ছেড়ে দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

    লাল গুল নামে এক দোকানদার জানান, এক লাখ আফগানি দামের বাড়ির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মাত্র ২০ হাজার আফগানিতে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

    লাল গুল জানান, আমি ২৫ হাজার আফগানি দিয়ে ফ্রিজ কিনেছিলাম। সেই ফ্রিজ বিক্রি করেছি পাঁচ হাজার আফগানিতে।  আমার কিছুই করার নেই। এসব না বেচলে আজ রাতে আমার বাচ্চারা খাবার পাবে না।

    কাবুলের চমন-ই-হোজরি পার্কে যাওয়ার রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে কার্পেট, ফ্রিজ এমনকি টেলিভিশন সেটও।

    মোহাম্মদ আগা নামে সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তা টোলো নিউজকে নিজের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ব্যাপারে জানান। তিনি গত ১০ দিন ধরে একটি মার্কেটে কাজ করছেন। কিন্তু তাকে বেতনও দেওয়া হয়নি। তিনি কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না।

    একই ঘটনা জানালেন মেরাজুদ্দিন নামে কাবুলের আরেক বাসিন্দা। তিনি জানান, আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার। আমার ছেলেও ভূতত্ত্ব অনুষদ থেকে স্নাতক করেছেন। কিন্তু আমরা দুজনই এখন বেকার। আমরা এখানে এসেছি কিছু জিনিস বিক্রি করে খাবারের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ