ঢাকা শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বন্ধ পাটকলগুলো চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে:  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  আমতলীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও হয়নি ব্রিজ নির্মাণ, ৫০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো   ঝিনাইদহে জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত অবকাশকালেও চলবে জরুরি বিচার, আপিল বিভাগে বসবে চেম্বার কোর্ট  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ঝালকাঠিতে ১২০ গাছ কাটার পর স্থগিত ২ হাজার গাছ কাটার প্রকল্প দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ ইরানের হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১২, আহত প্রায় ৩ হাজার ফর্মার ক্রিকেটার্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল 
  • বাউফলে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় ‘গ’ শ্রেণির ভোট!

    বাউফলে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় ‘গ’ শ্রেণির ভোট!
    পৌরসভা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    দীর্ঘ ৯ বছর পর পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভার নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৬ জানুয়ারি মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। মনোনয়নপত্র বাছাই ৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ জানুয়ারি। আর ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
     
    এদিকে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় ‘গ’ শ্রেণির নির্বাচন ঘোষণা করায় সম্ভাব্য প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০১২ সালের ২২ মে বাউফল পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৬ সালে ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। এর পর শহর সম্প্রসারণ আইনে আদালতে একটি মামলা করেন দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেন।

    পরে একই মামলায় বাদী হন নাজিরপুর ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক, মদনপুরা ইউনিয়নের গোলাম মোস্তফা ও বাউফল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন খান।

    ‘ক’ শ্রেণির নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বর্তমানে পৌরসভার সঙ্গে দাসপাড়া ইউনিয়নের পুনর্বিন্যাস চলছে।

    এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার বাউফল পৌরসভার নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করায় ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  

    পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইব্রাহিম ফারুক বলেন, ২০১৬ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে বাউফল পৌরসভা ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। এর পর ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে উন্নয়নকাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়। শহর সম্প্রসারণ করা হলে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় অন্তত ৫ হাজার ভোটার অন্তর্ভুক্ত হবে। এখন ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ‘ক’ শ্রেণির ৫ হাজার ভোটার ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন না।

    তিনি বলেন, ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার নির্বাচন হলে আমি নিজেও ভোট দিতে পারব না। আমাকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখতে একটি চক্র তফসিল প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এটি পৌরবাসী মেনে নেবে না।

    বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত খান সানা বলেন, যদি ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার নির্বাচন হয়, তা হলে চার বছর আগে কেন নির্বাচন হলো না। এই চার বছর একই পরিষদ পৌরসভা পরিচালনা করল কেন? আমরা সম্প্রসারিত ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এলাকার নতুন ভোটারদের নিয়েই নির্বাচন করতে চাই।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ