ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • হিজলায়  সাবেক চেয়ারম্যান টিপু সিকদারের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক  বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে  ট্রলারডুবি, ৫ জেলে নিখোঁজ বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার  বরিশাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ বরিশালে দিনব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী ও ডেটা সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ রোববার সাংবাদিক এম মিরাজের নামাজে জানাজা মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, দ্রুত উদ্যোগ নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভোলায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিনসহ আটক ১ ৩ ফুটবলারসহ আর্জেন্টিনাকে কঠোর শাস্তি দিলো ফিফা
  •  নদী পারাপারে ভাসমান সেতু তৈরী করে দিলেন স্কুল শিক্ষাক

     নদী পারাপারে ভাসমান সেতু তৈরী করে দিলেন স্কুল শিক্ষাক
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ব্যক্তিগত অর্থায়নে ভাসমান সেতু তৈরি করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে প্রশংসায় ভাসছেন সালমারা ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহীম ও তার দুই বন্ধু। 

    উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সন্নিকটে অবস্থিত সালমারা সতি নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি এই উপজেলায় বৃহত্তম ভাসামান সেতু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকাবাসি, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী এই ভাসমান সেতুটির ওপর দিয়ে যাতায়াত করছে। 

    প্রধান শিক্ষক ইব্রাহীমের স্বকীয় উদ্ভাবনী চিন্তা, শ্রম ও অর্থায়নে এবং এলাকাবাসির কষ্ট লাঘবে  ভাসমান সেতুটি নির্মাণ করে প্রায় অসম্ভব কাজটি সম্পন্ন করেছে।

    ভাসমান সেতুটি নির্মাণে অর্থ যোগান দিয়েছেন প্রধান শিক্ষকের আরো দুই বন্ধু উপজেলার চন্দ্ররপুর ইউনিয়নের ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীসহ এলাকার ২০ হাজার মানুষ এই ভাসমান সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করেন। 

    বর্ষা মৌসুমে মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রধান শিক্ষকের এই মহতি কাজে এলাকাবাসি সন্তোষ্টি প্রকাশ করছেন।

    এই সেতুটির অনন্য বিশেষত্ব হলো সেতুটি প্রায় ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫ ফুট প্রস্থ। সেতুটিতে ২০ পিচ প্লাস্টিক ড্রাম, বাঁশ ও বাঁশের চাটাই ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রায় লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করে তুলেছেন।

    এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ইব্রাহী লালমনিরহাট অনলাইন নিউজকে বলেন, এই স্থানে একটি পুরাতন সেতু ছিলো। সরকারীভাবে নতুন করে সেতু নির্মাণ হওয়ার কথা। তাই পূর্বের সেতুটি ঠিকাদারের লোকজন সেটি ভেঙ্গে নিয়ে গেছেন। তারপর থেকে তারা এখানে আর কাজের জন্য আসেন নাই। কিন্তু টানা বর্ষণে পানি বেশি হওয়া এলাকাবাসির দুর্ভোগ বেড়ে যায়। মানুষের কষ্ট লাঘবে মূলত আমিসহ আমার দুই বন্ধু মিলে এই ভাসমান সেতুটি নির্মাণ করি। 


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ