কাঁঠালিয়ায় জামায়াতের কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কার্যালয় ভাংচুর

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জামায়াতের কর্মী সমর্থকদের চারটি বাড়ি, দুইটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউনিয়ন জামায়াতের অফিসে হামলা ও ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুই নারী আহত হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নেরর বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। জামায়াতের অভিযোগ, বিএনপির কর্মীরা এ হামলা করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বিএনপির দুই বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে আজ শনিবার দুপুরে জামায়াতকর্মী জহিরুল ইসলাম দুলাল বাদী হয়ে পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান কালামকে প্রধান আসামি করে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কাঁঠালিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে জানা যায়, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান কালামের নেতৃত্বে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতাকর্মী পাটিখালঘাটা গ্রামের জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হারুন অর রশিদের বাড়ি, তাঁর ভাই মরিচবুনিয়া গ্রামের কামাল জমাদ্দারের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। হামলাকারীরা হারুন অর রশিদের কুড়ে আগুন দিয়ে পুড়ে দেয়। হামলায় কামাল জমাদ্দারের স্ত্রী রানু বেগম (৫৬) ও মেয়ে সাবিনা (৩০) আহত হয়। একই ইউনিয়নের মোস্তফা মাস্টার এবং বর্তমান ইউপি সদস্য মো. রিপনের বাড়িতেও ভাংচুর ও হামলা চালায় তাঁরা।
পরে পাটিখালঘাটা বাজারের ঔষুধ ব্যবসায়ী দুলালের ফার্মেসি এবং আব্দুর রবের চায়ের দোকানে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন জামায়াত অফিসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ ওঠে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সব ঘটনায় পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ফুয়াদ জমাদ্দার (৪২) ও ছাত্রদল নেতা জনি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান জানান, পাটিখালঘাটয় হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকী আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তবে হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তাদর দাবি দুর্বৃত্তরা এ হামলা করতে পারে। কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালালুর রহমান আকন্দ বলেন, বিএনপির কোন নেতাকর্মী হামলার সঙ্গে জড়িত নয়। গ্রেপ্তারকৃত দুই বিএনপি নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
এইচকেআর