ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো লেনদেন নয়, প্রশাসনের সতর্কবার্তা বরিশালে রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিককে শাস্তিমূলক বদলির প্রতিবাদে গেট মিটিং  বরিশাল মহানগর পুলিশের মাস্টার প্যারেড মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা  বরিশ‍াল বিভাগের তিন জেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সাথে আনোয়ারুল হক তারিনের শুভেচ্ছা বিনিময় রাহুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে হাজারও মানুষ, যোগ দিলেন নেহাও বাবুগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ২ আগৈলঝাড়ায় পোষ্ট মাস্টারের দায়িত্বে পোষ্টম্যান এই আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পৃক্ত হয়ে পরেন: জহির উদ্দিন স্বপন
  • খাবার না দেওয়ায় রাইফেল দিয়ে পিটিয়ে নারীকে হত্যা করল তালেবান

    খাবার না দেওয়ায় রাইফেল দিয়ে পিটিয়ে নারীকে হত্যা করল তালেবান
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন মা নাজিয়া। নিভৃত পল্লীতে তাঁদের বসবাস। তালেবান যোদ্ধারা ওই বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ছে। এমন ঘটনা ঘটেছে তিন দিন। চতুর্থ দিনও যে তালেবান যোদ্ধারা আসবে তা ধরেই নিয়েছিলেন নাজিয়ার ২৫ বছর বয়সী মেয়ে মানিজহা। শুনতে হবে একই বায়না—১৫ যোদ্ধার জন্য রাঁধতে হবে খাবার।

    মানিজহা বলছিলেন, ‘আমার মা ওদের বলেছিলেন, আমি গরিব মানুষ, আমি কিভাবে আপনাদের খাবারের ব্যবস্থা করব? এ কথা শুনেই ওরা মাকে মারতে শুরু করে। পড়ে যান আমার মা। তখন ওরা একে-৪৭ দিয়ে আঘাত করে।’

    মানিজহার কথায়, ‘আমি ওদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে কুলিয়ে উঠতে পারিনি। ওরা আমাদের আরেক ঘরে গ্রেনেড ছোড়ে, পুড়ে যায় সব কিছু। পুড়ে যান মা-ও।’

    গত ১২ জুলাই আফগানিস্তানের ফারিয়ব প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে। সিএনএন নিরাপত্তার খাতিরে ভুক্তভোগীদের ছদ্মনাম ব্যবহার করেছে। বার্তা সংস্থাটি বলছে, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে তালেবানের প্রত্যাবর্তনের পর আফগান নারীদের করুণ পরিণতির চিত্র উঠে এসেছে।

    কয়েকজন নারী বলেন, তালেবানের জারি করা নিয়ম অনুযায়ী তাদের এখনও বোরকা কেনা হয়নি। কারণ তালেবান আরো নিয়ম জারি করেছে যেখানে একজন নারী একা বাইরে বের হতে পারবে না। তার সঙ্গে এ সময় অবশ্যই একজন পুরুষ থাকতে হবে। কিন্তু ভয়ে পুরুষরাও এখন বাইরে বের হতে চাইছে না।

    গত ২০ বছর ধরে নারীরা সেখানে অবাধে চলাফেরা করেছে। এ সময় তারা বোরকা ব্যবহার করত না। তাদের বাইরে কাজ করার অধিকার ছিল, পড়ালেখা করার অধিকার ছিল। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তারা অবাধে চলাফেরা করত। তবে সে সময় আর ফিরে আসবে না ভেবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নারীরা।

    তবে তালেবানের এক মুখপাত্র সুহেইল শাহিনের দাবি, ‘আমরা নারী অধিকারে সম্মান করি। আমাদের নীতি হচ্ছে, হিজাব পরে নারীরা পড়াশোনা ও কর্মক্ষেত্রে যেতে পারবে। গণমাধ্যমও সমালোচনা করতে পারবে; কিন্তু চরিত্র হনন করতে পারবে না। আইন অমান্যকারীদের সাজার ধরন নির্ধারণ করবেন আদালত। পরিবর্তিত নিয়ম-কানুনে সম্মত না হলে বিদেশিরা দেশ ছাড়তে পারবে।’

    তালেবান বলছে, প্রকৃত ইসলাম সমর্থন করে এমন আফগানি ঐতিহ্য তারা ধারণ করতে চায়। কিন্তু আগের শাসনের সঙ্গে ‘প্রকৃত ইসলামী ব্যবস্থার’ কী পার্থক্য হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ